Saturday, November 29, 2025

ঠাকুরগাঁওয়ে মিথ্যা মামলা দিয়ে হয়রানির অভিযোগের প্রতিবাদে সংবাদ সম্মেলন করলেন ভুক্তভোগী পরিবারের

ঠাকুরগাঁওয়ে মিথ্যা মামলা দিয়ে হয়রানির অভিযোগের প্রতিবাদে সংবাদ সম্মেলন করলেন ভুক্তভোগী পরিবারের

রুবেল রানা, ঠাকুরগাঁও সংবাদদাতাঃ ঠাকুরগাঁও সদর উপজেলার সালান্দর ইউনিয়নের ইয়াকুবপুর কনপাড়া গ্রামে এক পরিবারকে মিথ্যা মামলা দিয়ে হয়রানী অভিযোগ উঠেছে।

এ ঘটনায় শনিবার (২৯ নভেম্বর) সকালে জেলা শহরের একটি রেস্টুরেন্টে ওই পরিবারের গৃহবধূ কৌশলা রানী রায় সংবাদ সম্মেলনে এ অভিযোগ তুলে ধরেন।

কৌশলা রানী সংবাদ সম্মেলনের মাধ্যমে সাংবাদিকদের জানান, চলতি বছরের গত ৫ অক্টোবর সদর থানায় রায়পুর ইউনিয়নের বাসিন্দা সুবাস চন্দ্রের মেয়ে বেলী রাণী একটি ‘মিথ্যা ও ভিত্তিহীন’ মামলা করেন। মামলার অভিযোগে অটল রায় ও মোহনী রায়কে অভিযুক্ত করা হয়। একের পর এক মিথ্যা ও সাজানো মামলায় তার স্বামী অটল রায় ও শ্বশুর মোহনী রায়কে ফাঁসানো হয়েছে বলে দাবি কৌশলা রাণীর, যার কারণে তারা এখন বাড়িছাড়া, আর পুরো পরিবার অনিশ্চয়তায় কাটাচ্ছে প্রতিটি দিন।

তিনি আরও বলেন, বেলী রাণীর সঙ্গে প্রায় এক বছর আগে তার দেবর জীবন চন্দ্র রায়ের প্রেমঘটিত বিষয়ে বিরোধ তৈরি হয়। সেই সম্পর্কের জের ধরে বেলী রাণী আদালতে একটি মামলা করেন যা এখনো বিচারাধীন। কিন্তু সেই মামলা থেকে নিজের স্বার্থ অর্জন করতে না পেরে বেলী রাণী নতুন একটি নাটক সাজিয়ে স্বামী ও শ্বশুরকে জড়িয়েছেন বলে অভিযোগ কৌশলা রানীর। একজনের সঙ্গে বিরোধ থাকলে তার বিচার আদালত করবে। আদালতে মামলা চলমান থাকা অবস্থায় হঠাৎ করে স্বামী-শ্বশুরকে টেনে এনে নতুন নাটক সাজানো সম্পূর্ণ অন্যায়। আমরা কৃষক পরিবার। সংসারের আয়ের ভরসা আমার স্বামী আর শ্বশুর। মিথ্যা মামলায় তারা আজ পলাতক। আমরা দিশেহারা।

তিনি প্রশ্ন তুলে বলেন, যদি দেবর জীবন চন্দ্রের বিরুদ্ধে অভিযোগ থাকে তাহলে তার বিচার আদালত করছে, কিন্তু সেই মামলার সুযোগে পরিবারকে কেন টার্গেট করা হচ্ছে?

কৌশলা রানীর আরো অভিযোগ করে বলেন, বেলী রাণী ব্যক্তিগত স্বার্থ ও অর্থের লোভে একের পর এক হয়রানিমূলক মামলা করছেন, যা ন্যায় বিচারের পরিপন্থী। তিনি জেলা পুলিশ প্রশাসন, জেলা প্রশাসন ও বিচার বিভাগীয় কর্তৃপক্ষের কাছে আবেদন জানিয়েছেন মামলাটি নিরপেক্ষভাবে তদন্ত করে মিথ্যা অভিযোগ খারিজ করা হোক এবং স্বামী অটল রায় ও শ্বশুর মোহনী রায়কে মুক্তি দেওয়া হোক। একই সঙ্গে হয়রানিমূলক মামলা করার অভিযোগে বেলী রাণীর বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়ার জন্যও অনুরোধ জানান তিনি।

Sunday, November 23, 2025

ঠাকুরগাঁওয়ে বহিষ্কৃত বিএনপি নেতার বিরুদ্ধে জমি দখলের অভিযোগ

ঠাকুরগাঁওয়ে বহিষ্কৃত বিএনপি নেতার বিরুদ্ধে জমি দখলের অভিযোগ

 

রুবেল রানা, ঠাকুরগাঁও সংবাদদাতাঃ আদালতে মামলা চলমান থাকার সত্ত্বেও হুমক-ধামকি দিয়ে জমি জবর-দখলের চেষ্টা করার অভিযোগ উঠেছে বিএনপির বহিষ্কৃত নেতাসহ কয়েকজনের বিরুদ্ধে।

ঘটনাটি ঘটেছে শনিবার (২২নভেম্বর) সকালে ঠাকুরগাঁও সদর উপজেলার আকচা ইউনিয়নের ফাড়াবাড়ি দক্ষিণ বঠিনা এলাকায়।

এঘটনায় ভুক্তভোগী কৈলাশ চন্দ্র বর্মন (৬২) সদর থানায় একটি লিখিত অভিযোগ করেছেন। 

অভিযোগ সূত্রে জানা যায়, ভুক্তভোগী কৈলাশ চন্দ্র বর্মনের সঙ্গে একই এলাকার ইউনিয়ন বিএনপির সাবেক সাধারণ সম্পাদক (বহিষ্কৃত) আবু তালেব (৪৮), আব্দুল গফ্ফার (৫০) সহ আরও কয়েকজনের সঙ্গে দীর্ঘদিন ধরে জমি নিয়ে বিরোধ চলছে। বিষয়টি নিয়ে কৈলাশ আদালতে মামলা দায়ের করেন যা ঠাকুরগাঁও বিজ্ঞ সদর সিনিয়র সহকারী জজ আদালতে বিচারাধীন।

অভিযোগে আরও বলা হয়, শনিবার সকালে আবু তালেব ও আব্দুল গফ্ফারসহ  ১২জনের একটি দল হাতে দেশীয় অস্ত্র নিয়ে ঐ জমিটি জবর-দখল করার চেষ্টা করেন। এসময় খবর পেয়ে কৈলাশ চন্দ্র ঘটনাস্থলে গেলে আসামিরা তাকে দেখে হুমকী দিয়ে বলে তুই ভালোই ভালোই এই জমি ছেড়ে পরিবার নিয়ে ভারতে চলে যা। না হলে তার পরিবারের লোকজনকে হত্যা করে পুতে রাখা হবে। তাদের বিরুদ্ধে করা মামলা না তুলে নিয়ে ভুক্তভোগীর হাত-পা ভেঙ্গে চিরত্বরে পঙ্গু করে দেয়ারও হুমকি দেন তারা। 

ভুক্তভোগী কৈলাশ চন্দ্র বর্মন বলেন, জমিটা আমাদের পৈতৃক সম্পত্তি। আদালতে মামলা চলমান থাকা সত্ত্বেও জোর করে দখল নিতে এসেছে আবু তালেব, আব্দুল গফ্ফার ও নজরুল। তারা আমাকে নানাভাবে ভয়ভীতি দেখাচ্ছে। কখনো বলে জমি ছাড়ো, না হলে দেখে নেব। আবার কখনো বাড়ির সামনে এসে গালিগালাজ করে চলে যায়।

এমন কথা শোনার পর থেকে আমরা বাড়ি থেকে বের হতেও ভয় পাই। বর্তমানে আতঙ্কে আছি। কখন কী হয় বলা যায় না। আমরা আইনের ওপর ভরসা করি, তাই থানায় অভিযোগ করেছি। আমাদের নিরাপত্তা নিশ্চিত করা হোক, আর এই জমির বিষয়ে ন্যায়বিচার পাওয়া আমাদের একটাই দাবি।

এবিষয়ে ওয়ার্ড বিএনপির সভাপতি ও সাবেক ইউপি সদস্য বিশু মোহাম্মদ জানান, আমি দীর্ঘ দিন ধরে দেখে আসছি এই জমিটা কৈলাশের দখলে আছে। মাঝখানে একটু ঝামেলা হয়েছিল পরে ২০২১ সালে আদালতে একটি মামলা করা হয়।  যেহেতু এই জমির মামলা চলমান তাহলে কেন আবু তালেবরা লোকজন নিয়ে দখল করতে আসতেছে। মামলার রায় আসুক, রায় যার পক্ষে যাবে তখন সে দখলে নিবে। হুট করে তারা কেন লাঠিয়াল বাহিনী নিয়ে আসলো? 

তিনি আরও বলেন, আদালতের রায়ের মাধ্যমে সমাধান হওয়া উচিত। জোর করে জমি দখল কিংবা প্রাণনাশের হুমকি মেনে নেয়া যায় না। প্রশাসন দ্রুত ব্যবস্থা না নিলে বড় ধরনের অনাকাঙ্ক্ষিত ঘটনা ঘটতে পারে। 

স্থানীয়দের একাধিক সূত্রে জানা গেছে, আবু তালেবের বিরুদ্ধে আগে থেকেই নানা ধরনের অভিযোগ রয়েছে। নাম প্রকাশ না করার শর্তে কয়েকজন বলেন, গ্রামে অনেক আগে থেকেই তার বিরুদ্ধে নারী নির্যাতন আর জমি দখলের অভিযোগ শোনা যায়। মাস কয়েক আগে এক নারীকে ধর্ষণের অভিযোগ ওঠে তার বিরুদ্ধে। পরে ঐ নারী তার বিরুদ্ধে সংবাদ সম্মেলন ও দিনাজপুরে একটি মামলা করেন। এঘটনার পর বিএনপি কেন্দ্রীয় থেকে আবু তালেবকে আকচা ইউনিয়ন বিএনপির সাধারণ সম্পাদক পদ থেকে বহিস্কার করেন। তার বিরুদ্ধে ইউনিয়নের লোকজন জেলা বিএনপির নেতাদের কাছে বহু অভিযোগও করেছে। 

তারা আরও বলেন, আবু তালেব আওয়ামীলীগ সরকার পতনের পর আরও বেপোরোয়া হয়ে ওঠেন। আওয়ামী লীগের সাবেক চেয়ারম্যান সুব্রত কুমার বর্মনের ব্যবসা-প্রতিষ্ঠান, বাড়িঘর দেখাশোনার দায়িত্বও তিনি নিয়েছেন বলে এলাকায় শোনা যাচ্ছে। এমনও কথা ওঠেছে সরকার পতনের পর বিভিন্ন আওয়ামীলীগের নেতাদের কাছে মোটা অংকের অর্থ হাতিয়ে নিয়েছে তাদের আশ্রয় দেয়ার কথা বলে। যা তদন্ত করলে সবই বেড়িয়ে আসবে।

তবে অভিযোগ প্রসঙ্গে আবু তালেব, আব্দুল গফ্ফার ও নজরুল ইসলাম বলেন, আমাদের বিরুদ্ধে আনা অভিযোগ সম্পূর্ণ মিথ্যা ও উদ্দেশ্যপ্রণোদিত। জমিটি আমাদের ভোগদখলে রয়েছে। আমরা ক্রয় সূত্রে মালিক। আমাদের হয়রানি করার জন্য কিছু লোক রাজনৈতিকভাবে বিষয়টি কাজে লাগাচ্ছে। আমরা কারও জমি জবরদখল করতে যাইনি, কারও প্রতি হুমকি বা ভয়ভীতি প্রদর্শন করিনি।

তারা আরও বলেন, নারীর বিষয়ে কিংবা অন্য কোনো অপরাধমূলক কর্মকাণ্ডের অভিযোগও ভিত্তিহীন। এসব অভিযোগ সাজিয়ে আমাদের রাজনৈতিকভাবে দুর্বল করা এবং ব্যক্তিগত বিরোধে জড়ানোর চেষ্টা করা হচ্ছে। আমরা এ ঘটনার সুষ্ঠু তদন্ত চাই। 

ঠাকুরগাঁও সদর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) সরোয়ারে আলম খান বলেন, অভিযোগ পাওয়ার পর পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে পরিদর্শন করেছে। তদন্ত চলছে এবং প্রমাণ অনুযায়ী প্রয়োজনীয় আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে। 

Monday, November 17, 2025

ঠাকুরগাঁও কেমিস্টস্ এন্ড ড্রাগিস্টস্ সমিতির অচলাবস্থা আগাছা ও ময়লার ময়লার স্তূপ অফিসে

ঠাকুরগাঁও কেমিস্টস্ এন্ড ড্রাগিস্টস্ সমিতির অচলাবস্থা আগাছা ও ময়লার ময়লার স্তূপ অফিসে


 বাংলাদেশ কেমিস্টস অ্যান্ড ড্রাগিস্টস সমিতির কার্যক্রমে স্থবিরতায় ঠাকুরগাঁও জেলা কার্যালয় এখন কার্যত অচল। বছরের পর বছর ধরে এমনাবস্থার কারনে ক্ষুদ্ধ কার্যকারি কমিটির সদস্যরা। সরজমিনে গিয়ে তার সত্যতাও মিলেছে। 


অভিযোগের সুত্র ধরে ঠাকুরগাঁও জেলা শহরের কালিবাড়িতে অবস্থিত বিসিডিএস সমিতির কার্যালয়ে যাওয়ার পর খোঁজ নিয়ে দেখা গেছে, কয়েক বছর ধরে কোনো কার্যক্রম নেই সমিতির। হয়না নিয়মিত বৈঠক বা সংগঠনের সদস্যদের উপস্থিতি। ফলে ময়লা আবর্জনায় ভরে গেছে পুরো ভবন। বোঝার উপায় নেই যে এটি একটি ঔষধ ব্যবসায়ীদের সংগঠন। দেখে মনে হবে মুল ফোটকের তালা খোলা হয়নি কয়েক বছর ধরে। অফিসের এই জীর্ণ দশা শুধু অবহেলা নয় এর ভেতরে জমে আছে দীর্ঘদিনের অনিয়ম ও নেতৃত্বের অচলাবস্থা। একসময় প্রাণচাঞ্চল্যে ভরা এই কার্যালয় এখন দূর থেকে যে কেউ সহজেই মনে করবে এটি একটি ভুতুরে বাড়ি। 

এই সংগঠনটি জেলার ফার্মাসিস্ট ও ড্রাগ ব্যবসায়ীদের অন্যতম শক্ত কেন্দ্র হওয়ার কথা। ওষুধ নীতিমালা থেকে শুরু করে লাইসেন্স সংক্রান্ত দিকনির্দেশনা সব বিষয়ে সদস্যদের পাশে থাকার প্রত্যাশাও থাকে। বাস্তবে দৃশ্যটা সম্পূর্ণ উল্টো। অভিযোগ নয়েছে ১৫ বছর ধরে সভাপতি ও সহ-সভাপতিসহ কয়েকজন ব্যাক্তি একই পদে রাজনৈতিক প্রভাব খাটিয়ে চেয়ার দখলে রাখেছেন। ফলে নির্বাচন কার্যত বন্ধ হয়ে গেছে। নিয়মিত নেতৃত্ব বদলের সুযোগ না থাকায় সমিতি এখন ব্যক্তি কেন্দ্রিক হয়ে পড়েছে। আর সদস্যদের অংশগ্রহণ বললেই নেই। 

জানা গেছে, সংগঠনটির বর্তমান কমিটির মেয়াদ রয়েছে চলতি বছরের ২৩ ডিসেম্বর পর্যন্ত। যার সদস্য সংখ্যা ৩৮০ জন। যেখানে ওষুধ ব্যবসায়ীর সংখ্যা প্রায় ৪ হাজার। অভিযোগ রয়েছে, বর্তমান কমিটির সভাপতি ও সিনিয়র সহসভাপতি সহ অন্যান্য সদস্যরা কমিটির মেয়াদ শেষে নির্বাচন না দিয়ে দীর্ঘ দিন ধরে নিজেদের মধ্যে আলোচনা করে চেয়ার দখলে রেখেছেন ১৫ বছর ধরে।

 আওয়ামীলীগের নেতারা কার্যকারি কমিটির পরিচালনা তবে পুরো জেলায় দোকানের সংখ্যা বা নিবন্ধিত কতগুলো তার সঠিক উত্তর জানা নেই বর্তমান কমিটির কাছে। তারা বলছেন, উপ-কমিটির মাধ্যমে উপজেলারগুলো পরিচালনা করা হয়। 

স্থানীয় ফার্মাসিস্ট ও ড্রাগ ব্যবসায়ীরা বলছেন, একই ব্যক্তি বহু বছর ধরে সংগঠনের নেতৃত্বে থাকায় কার্যক্রমে স্থবিরতা নেমে এসেছে। নিয়মিত নির্বাচন না হওয়ায় নতুন নেতৃত্বের সুযোগ তৈরি হয়নি। ফলে সংগঠনটি সদস্যদের স্বার্থ রক্ষার চেয়ে ব্যক্তি কেন্দ্রিক হয়ে উঠেছে। কেউ কিছু বললে বিভিন্ন ভাবে হয়রানী করা হয়। প্রমাণ করে কার্যালয়ের বর্তমান চিত্র যেন সেই স্থবিরতার সাক্ষ্য। অফিসের দরজায় তালা ঝুলছে। ময়লা-আবর্জনার গন্ধই জানিয়ে দেয়, কতদিন ধরে এখানে কোনো সভা বা কার্যক্রম হয়নি। 

অন্যদিকে জেলা পর্যায়ের বেশ কয়েকজন ওষুধ ব্যবসায়ী জানান, সরকার পতনের পর থেকেই সংগঠনের কার্যক্রম একেবারেই বন্ধ হয়ে গেছে। অনেকেই পতিত সরকারের দল করায় গা-ঢাকা দিয়েছে। সময়মতো নেতাদের না পেয়ে নানা ধরনের সমস্যায় পড়তে হচ্ছে ব্যবসায়ীদের। তারা আরও বলেন, ওষুধের নীতিমালা, লাইসেন্স নবায়ন, বাজার নিয়ন্ত্রণ বা প্রশিক্ষণ এসব বিষয়ে আগে সমিতির সহযোগিতা পাওয়া যেত। এখন সেই সুযোগ নেই বললেই চলে। কোনও বিষয়ে সমিতির কাছে গেলে ‘পরে জানাব’ এ ধরনের উত্তর মেলে, কিন্তু বাস্তবে আর কোনো পদক্ষেপ দেখা যায় না। তবে টাকার বিনিময়ে লাইসেন্স পাইয়ে দিতে সুপারিশ করার অভিযোগ রয়েছে কমিটির দু’একজন নেতার বিরুদ্ধে।  

কেবল স্থবিরতা নয়, আরও কিছু অভিযোগ ভাসছে ভেতরে ভেতরে। কেউ কেউ বলছেন, ব্যক্তিকেন্দ্রিক তদবির ছাড়া সমিতির কোনো কাজ এগোয় না। কারও লাইসেন্স সংক্রান্ত পরামর্শ লাগলে ‘পরবর্তীতে জানানোর’ প্রতিশ্রæতি শোনা যায়, কিন্তু সেই ‘পরবর্তীতে’ আর আসে না। সংগঠনের নামে যে প্রশিক্ষণ বা সভা সম্মেলন হওয়ার কথা বছরের পর বছর তার ছিটেফোঁটাও দেখা যায় না। নতুন নেতৃত্বের মাধ্যমে সংগঠনটি সচল হোক এমন আশা সবার। 

আর এ বিষয়ে সংগঠনের সভাপতি আজিজুর রহমান ও সিনিয়র সহ-সভাপতি আজিজুল ইসলাম সব অভিযোগ অস্বীকার করে তারা বলেন, এখানে কোন ভোট হয়না। কেন্দ্র কমিটির করে দেয় আমরা শুধু প্রস্তাবনা পাঠাই। কেন্দ্র মনে করেছে বলেই আমরা এতো বছর নেতৃত্ব দিয়ে আসছি। আর অফিসের তার চুরি হয়ে যাওয়ার কারনেই অফিস খোলা হয়না বলে স্বীকার করেন তারা।