Showing posts with label ধর্ম. Show all posts
Showing posts with label ধর্ম. Show all posts

Monday, December 22, 2025

ঠাকুরগাঁওয়ে প্রাক বড়দিন উদযাপন

ঠাকুরগাঁওয়ে প্রাক বড়দিন উদযাপন


 ঠাকুরগাঁও জেলা সংবাদদাতাঃ আসছে আগামী ২৫ ডিসেম্বর যীশু খ্রীষ্টের জন্ম উৎসব। এ উৎসব ঘিরে শুভ বড়দিন উদযাপন উপলক্ষে ঠাকুরগাঁওয়ে নানা আয়োজনের মধ্য দিয়ে প্রাক বড়দিন উদযাপন করা হয়েছে।

বাংলাদেশ খ্রিষ্টান এসোসিয়েশন ঠাকুরগাঁও সদর উপজেলা শাখার আয়োজনে সোমবার (২২ ডিসেম্বর) দুপুরে ঠাকুরগাঁও কাথলিক চার্চ প্রাঙ্গণে অতিথিদের নিয়ে কেক কেটে অনুষ্ঠানের উদ্বোধন ও আলোচনা করা হয়।

বাংলাদেশ খ্রিষ্টান এসোসিয়েশন ঠাকুরগাঁও সদর উপজেলা শাখার সভাপতি জনাস রায় এর সভাপতিত্বে এ সময়ে উপস্থিত ছিলেন ট্রাষ্টি, হিন্দু ধর্মীয় কল্যাণ ট্রাষ্ট, ধর্ম বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের সত্যজিৎ কুমার কুন্ডুর, বাংলাদেশ হিন্দু বৌদ্ধ খ্রিষ্টান কল্যাণ ফ্রন্ট ঠাকুরগাঁও জেলা শাখার সভাপতি মনোরঞ্জন সিং, ভোটপাড়া কাথলিক মিশনের ফাদার লাজারুস সরেন, ঠাকুরগাঁও কাথলিক মিশনের ফাদার ফিলিপ মুর্মু সহ বাংলাদেশ খ্রিষ্টান এসোসিয়েশনের সদর উপজেলার অন্যান্যরা।

অনুষ্ঠানটি সঞ্চালনায় করেন মাধবপুর কালভেরী ব্যাপ্টিষ্ট চার্চের পাষ্টর, মাইকেল রায়।

অনুষ্ঠানে বক্তারা বলেন, যুগে যুগে পৃথিবীতে অনেক যুগান্তকারী মহাপুরুষদের আগমন ঘটেছে। যাদের অবদান মানব ইতিহাসে চির স্বরণীয়। তেমনী এক সর্বজনবিদিত এবং সর্বশেষ্ট মহাপুরুষ হলেন যীশু খ্রীষ্ট। মানব জীবনকে সার্থক ও সুন্দর করে গড়ে তোলার দর্শন ও স্বপ্ন তিনি প্রতিষ্ঠিত করেছেন তা চিরকাল মানুষের মনে অক্ষয় হয়ে থাকবে। তিনি শুধু মানুষের পার্থিক জ্ঞানের ভান্ডারকে শক্তিশালী করতেই এই দুনিয়াতে আসেননি বরং মানব জাতির জন্য জীবন, তথা স্বর্গের জ্ঞানের পথকে খুলে দিয়েছিলেন।

তার অসাধারণ জন্ম, অভাবনীয় জীবন-যাপন, অলৌকিক মৃত্যু ও পুনরুত্থান এবং তাঁর স্বশরীরে স্বর্গে গমন তাকে মহাপুরুষ কুলের মধ্যে অনন্য সাধারণ করে তুলেছে। তাই এই বড়দিনকে ঘিরে দেশের মঙ্গল ও ভাতৃত্ববোধ যাতে মানুষের মাঝে ছড়িয়ে পড়ে এবং মানুষ যেন সুস্থ ও শান্তিপূর্ণ সহবস্থানে থাকে এই এই কামনায় প্রভু যিশুখৃষ্টের প্রতি।

আলোচনা শেষে শিশুদের নিয়ে সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান অনুষ্ঠিত হয়।

Monday, January 27, 2025

পবিত্র শবে মেরাজ আজ

পবিত্র শবে মেরাজ আজ

পবিত্র শবে মেরাজ আজ সোমবার (২৭ জানুয়ারি)। মহান আল্লাহ রাব্বুল আলামিনের রহমত কামনায় আজ রাতে ধর্মপ্রাণ মুসলমানরা মসজিদে মসজিদে কিংবা নিজ গৃহে কোরআনখানি, জিকির-আজগার এবং ইবাদত-বন্দেগির মধ্য দিয়ে পবিত্র শবে মেরাজ পালন করবেন। 

মহানবী হজরত মুহাম্মদ  (সা.) নবুওয়াতের দশম বছর ৬২০ খ্রিস্টাব্দের ২৬ রজব দিবাগত রাতে আল্লাহর সান্নিধ্যে মিরাজ গমন করেন। তাই রাতটি মুসলমানদের কাছে খুবই তাৎপর্যপূর্ণ।

ইসলামি শরিয়তের পরিভাষায় মসজিদুল হারাম থেকে মসজিদুল আকসা পর্যন্ত সফরকে ‘ইসরা’ এবং মসজিদুল আকসা থেকে সাত আসমান পেরিয়ে আরশে আজিম সফরকে ‘মেরাজ’ বলা হয়।

৬২০ খ্রিস্টাব্দ হজরত মুহাম্মদ (সা.)-এর দুই প্রিয় ব্যক্তি স্ত্রী খাদিজা (রা.) এবং চাচা আবু তালেবকে হারিয়েছেন। তাছাড়া ইসলামের দাওয়াত নিয়ে তায়েফ গেলে সেখান থেকেও আশাহত হয়ে ফেরেন। এরপর মহান আল্লাহ ইসরা ও মেরাজের মাধ্যমে প্রিয় রাসুলকে বিশেষভাবে সম্মানিত করেন। এই রাতে প্রিয় নবী হজরত মুহাম্মদ (সা.) মহান আল্লাহ রাব্বুল আলামিনের দিদার লাভ করেন এবং আল্লাহর কাছ থেকে পাঁচ ওয়াক্ত নামাজের বিধান নিয়ে দুনিয়ায় ফিরে আসেন।

বিশেষ গুরুত্ব থাকায় আজ রাতে মহান রাব্বুল আলামিনের রহমত কামনায় ধর্মপ্রাণ মুসলমানরা মসজিদে বা নিজ গৃহে সালাত আদায়, কোরআন তেলাওয়াত, জিকির-আজগাররের মধ্য দিয়ে দিনটি পালন করবেন। অনেকে নফল রোজাও পালন করে থাকেন।